শ্রমিক নেতা শামীমের খান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও এমপি মন্ত্রীদের সাথে ছিল নিয়মিত ওঠাবসা” দাঁপিয়ে বেড়াতেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের নেতৃত্বাধীন তৈরি পোশাক শিল্পে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় গড়ে তোলা “গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ” এর আহ্বায়ক পরিচয়ে; তবে এখন তিনি বিএনপি নেতা পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন সাভার আশুলিয়া গাজীপুর এলাকা।
সম্প্রতি গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভোল পাল্টে তৃণমূল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি ও গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক শামীম খান ওরফে শামিম মির্জা পদ-পদবী না থাকা সূত্রেও হয়ে গেছেন বিএনপির বড় নেতা ।
শামীম খান ওরফে শামিম মির্জার সাথে সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান,ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের সাথেও ছিল তার সখ্যতা। তাদের সাথে ছবি তুলেই নিজেকে জাহির করতেন আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের কিছু দিন পর কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের কয়েকজন কর্মীকে ডেকে নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ফুল দিয়ে ছবি তুলেন এই নেতা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় শ্রমিক শ্রমিক সংগঠনের কয়েক জন নেতাকর্মী জানান, কয়েক দিন যাবত বেশকিছু পোশাক কারখানা বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ ওই কারখানার শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে আমরা কাজ করছি কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি তাদের মতো ( শামীম খান ) তথাকথিত কিছু শ্রমিক নেতা দলীয় নাম ব্যবহার করে শ্রমিক ঠকানোর কাজ করছে এতে করে আমাদের সকল শ্রমিক নেতাকর্মীদের উপর থেকে শ্রমিকদের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে বলে জানায়।
নিজেকে বিএনপি নেতা দাবি করলেও তার আশেপাশের সবাই একসময়ের আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্তরা।
সম্প্রতি আশুলিয়া ও গাজীপুরে বেশ কিছু কারখানায় গিয়ে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে ব্যবসা দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন শিশির। কিন্তু সুবিধা করতে না পেরে সেখানে ছাত্রদের দিয়ে আন্দোলন করাবেন বলে হুমকি দিয়ে আসেন। কখনো বা উসকে দেয়ার চেষ্টা করছেন পোশাক শ্রমিকদেও।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে শ্রমিক নেতা শামীম খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।